বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
ইন্দুরকানিতে তুচ্ছ ঘটনায় কৃষককে ছুরিকাঘাত ভান্ডারিয়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মোনাজাত ও ইফতার মাহফিল ভান্ডারিয়ায় জমিজমা ও বালুর ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে একজনকে কুপিয়ে হত্যা ভান্ডারিয়ায় বিএনপির ইফতার মাহফিল ভান্ডারিয়ায় বাজার কমিটি এবং ব্যাবসায়ীদের করনীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ ভান্ডারিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে কোটি টাকার দোকান ও জমি দখলের অভিযোগ তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ নিয়ে ধূম্রজাল, পরিবারের দাবি হত্যা পিরোজপুরে চাঁদাবাজির মামলায় জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিনিধিসহ দুই জন গ্রেপ্তার ভান্ডারিয়ায় দুই কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভান্ডারিয়ায় পালিয়ে বিয়ে করতে এসে প্রেমিকাকে নিয়ে পালালো বন্ধু! অপহরণ মামলায় দুই বন্ধু করাগারে ভান্ডারিয়ায় মানব সেবা ব্লাড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ন্যায্য মূল্যের দোকান প্রেমে ব্যার্থ হয়ে কিটনাশক পানে কিশোরের আত্মহত্যা ভান্ডারিয়ায় এক ব্যবসায়ীকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা ভান্ডারিয়ায় পৌর জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল ভান্ডারিয়ায় পুলিশের ওপেন হাউস-ডে অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় ডাকাতিসহ হত্যা মামলায় ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড পালিয়ে গিয়ে বিয়ের ৩ মাস পর স্বামী ও শশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা; প্রতিবাদে এলাকাবাসির মানববন্ধন নেছারাবাদে ছাত্রলীগ সমর্থক থেকে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি, কমিটি ঘোষনার একদিনের মধ্যেই বিলুপ্তি ঘোষণা কাউখালীতে নারীদের মধ্যে হিজাব ও কুরআন মাজিদ বিতরণ
করোনা ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর কি হয়!

করোনা ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর কি হয়!

যে-কোনো ভাইরাস, করোনাই শুধু নয়, কোনো জীবিত প্রাণীর শরীরের বাইরে বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে এবং বংশ বৃদ্ধি করতে পারে না।

করোনা ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে গিয়ে বাসা বাঁধে ও খুব দ্রুত সংখ্যায় বাড়ে। আমাদের ফুসফুস ছোট ছোট বলের মতো আকৃতির বস্তু দিয়ে (অ্যালভিওলাই) তৈরি যেগুলো শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে বেলুনের মতো ফুলে ওঠে ও চুপসে যায়।

ফুসফুসের এই ছোট্ট বলগুলো আমাদের শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করে। প্রতিবার নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেনে পূর্ণ হয় এবং বলগুলোর পাতলা পর্দা ভেদ করে সেই অক্সিজেন রক্তে প্রবেশ করে। আর রক্তে তৈরি হওয়া বিষাক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড একই পদ্ধতিতে বাইরে আসে। শরীরের প্রতিটি কোষ এই অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকে।

ভাইরাসটি যদি আপনার শরীরে ঢোকে, তবে প্রথমে শ্বাসনালি ও পরে ফুসফুসে লটকে পরবে। ভাইরাসটি ফুসফুসের ছোট্ট ছোট্ট বলের মতো জায়গায় গিয়ে আরামসে বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। এতে ফুসফুসের বলগুলো নষ্ট হয়ে যেতে থাকে।

ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর গড়ে ৫ দিন পর্যন্ত সময় নেয় ও তারপর ব্যক্তির উপসর্গ অর্থাৎ, ক্লান্তি, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া ইত্যাদির লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।

অপরপক্ষে শরীর (ইমিউন সিস্টেম) এই ভাইরাসের হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করতে প্রাণপনে চেষ্টা করে। আমাদের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম ক্রমাগত প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি বা যোদ্ধা সেল তৈরি করতে থাকে ভাইরাসকে পরাস্ত করতে।

ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির গতি অপেক্ষা আপনার ইমিউন সেলের বংশবৃদ্ধির গতি বেশি হলে আপনি বেঁচে গেলেন। আর দুর্বল ইমিউন সিস্টেম হলে ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি বেড়ে যাবে ও আপনার ফুসফুস ক্রমান্বয়ে পরাস্ত হতে থাকবে ভাইরাসের হাতে।

ফুসফুস পরাস্ত হতে থাকলে আস্তে আস্তে শরীরে প্রয়োজনীয় অস্কিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং রোগী অস্কিজেনের জন্য একসময় হাঁসফাঁস করতে থাকে। পরবর্তীতে শরীরের অন্যান্য অর্গানগুলো (কিডনি, হার্ট, যকৃত, প্যানক্রিয়াস ইত্যাদি) অক্সিজেনের অভাবে একে একে অকেজো হতে শুরু করে।

নানা অসুখের কারণে আগেভাগেই কারো অর্গানগুলো দুর্বল হয়ে থাকলে, তার জন্য ভাইরাসটির আক্রমণের চাপ বহন করা কঠিন হয়ে পরে। তখন ভাইরাসটি রক্তে ছড়িয়ে পরে। এইবেলা তার জন্য হাসপাতালের সাহায্য বা কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন-এর বন্দোবস্ত করার জরুরি দরকার হয়ে পরে।

এখন পরযন্ত ভাইরাসটি দমন করার কোনো ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। তাই নিজের ইমিউন সিস্টেমই ভরসা! সেটি শক্তিশালী হলে ভাইরাসগুলো যুদ্ধে হেরে গিয়ে মারা যাবে। জ্বর-কাশি কিছুদিন পর আপনা আপনি ভালো হয়ে যাবে, বাসায় বসেই। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে ৮০% আক্রান্ত মানুষ ঘরে বসেই ভালো হয়ে যায়, হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হয় না।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক: কানাডার কমিউনিটি নার্স

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!